Our Vision

We believe in ourselves, we are professional and do what we say we will do.

Our Mission

We strive to add value to our customers to our company and to our profession.

Our Values

We work as a team to provide Quick response with Friendly and supportive team and low cost service to make our customers happy.

Our Values

We respect our customers and each other and conduct with fairness and integrity.

Our Values

We honor what we do, value friendship and family, celebrate success and have fun

Showing posts with label IT Outsourcing in Bangladesh. Show all posts
Showing posts with label IT Outsourcing in Bangladesh. Show all posts

Tuesday, January 17, 2012

Know Bangladesh ICT Policy Past and Present - Future In your Hand

ব্যান্ডউইথ'ই তথ্যপ্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি মানেই ব্যান্ডউইথ।একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে একটা দেশ তথ্যপ্রযক্তিতে কতটুকু ডেভলপ করেছে তা জানতে আর কোন ডাটা দরকার নেই, শুধু ঐ দেশের ব্যান্ডউইথ ইউজ ও জনসংখ্যা রেশিও দিয়েই ফুল জানা যাবে।যার মানে বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির অর্থনীতি- রাজনীতির এই বিশ্বে অর্থনীতি ও উন্নয়নের প্রথম ইন্ডিকেটর হচ্ছে দেশটির পারক্যাপটা ব্যন্ডউইথ কত ? তো চলুন তথ্যপ্রযুক্তিতে সর্বদা সবার পিছে পশ্চাদপদ বাংলাদেশ যে ২০০৬ সালে প্রথম সাবমেরিন ক্যবলে সংযুক্ত হয়ে তার অতীতের ক্ষতি কাটিয়ে না উঠে কি করছে ? যেখানে এর একমাত্র নীতিমালা হওয়া উচিত, কিভাবো আরও বেশি ব্যন্ডউইথ ব্যবহার করা যায়, সেই বাংলাদেশে ব্যান্ডউইথ নিয়ে কি করছে ? আজকাল মার্কেটে ১ জিবি কন্টেন্টের ভ্যাট সহ প্রায় ৪০০/- টাকায় বিক্রি হয় -গ্রামীনফোন ইন্টারনেটের পি-6 প্যাকেজে।আরএক প্যাকেজে ৩ এমবি কন্টেন্ট এর দাম ৯/- টাকা, অন্যএক প্যাকেজে ৯৯ এমবি ৯৯/- টাকা - গতি অবশ্যই সর্বদা সমান, ৫ কেবিপিএস।রেইটগুলো উল্লেখ করার কারন, সামান্য এক এমবি, এক জিবি নেট কন্টেন্টের জন্য দেশের সাধারন মানুষকে কত টাকা খরচ করতে হয় তার সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষন করতে।

এই যে, এত যে মূল্যবান ও প্রয়োজনীয় এই ব্যান্ডউইথ, বর্তমান যুগে অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের পরেই ব্রডব্যান্ড হবে জনগণের মৌলিক চাহিদার একটি, তাকে বুঝে, না বুঝে আমাদের রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারকরা কি রকম হাস্যকর অব্যবস্থাপনায় রেখেছে তা দেখলে, আমি শিওর হাসতে হাসতে আপনার লুঙ্গি খুলে যাবে।গত ২০০৯ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যবলের কোম্পানীর ওয়েবসাইটের এক নটিশে দেখেছিলাম - বাংলাদেশ ২০০৬ সালের মে মাসে ৭ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ নিয়ে সিমিউই-৪ সাবমেরিন ক্যবলে প্রথমবারের মত যুক্ত হয়ে, ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে ১ম আপগ্রেডেশনের মাধ্যমে ২৪ জিবিপিএস ও ২০০৮ সালে ডিসেম্বরে ২য় আপগ্রেডেশনে এই সংযোগে ৪৫ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ অর্জন করে।সেখানে আরও উল্লেখ ছিল, ডিসেম্বর ২০০৯ এ এই ল্যান্ডিং স্টেশনে ৩য় আপগ্রেডেশন করা হবে যেখান আরও ১১০ জিবিপিএস যুক্তু হবে। আরও ছিল, ঐ মুহুর্তে সারাদেশে ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ব্যবহার হচ্ছে এবং বাড়তি ব্যান্ডউইথ সরকার ২০১৩-১৪ সাল পর্যন্ত চাহিদার কথা বিবেচনা করে সংরক্ষণ ও রপ্তানী করার চিন্তা ভাবনা করছে।কত বড় ইডিয়ট চিন্তা করুন ? আপনি বিষয়টি বুঝলে অবশ্যই মাথার চুল ছিরতে ইচ্ছা করবে ? পরবর্তী আরেক নোটিশে দেখা যায় দেশে এখন ১৫ জিবিপিএস ব্যবহার হচ্ছে, এই মুহুর্তেও তাই।

তাহলে আমরা গত ৩ বছর ধরে কি করে আসছি ? মাত্র ১৫ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করছি আর বাকি ৩০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথের কি হইলো ? কোন ব্যাংকে জমা আছে ? ব্যান্ডউইথ কি বিদ্যুৎ নাকি, যে মোবাইলের ব্যাটারী চার্জ দিয়ে ল্যাপটপ চার্জ দিয়ে কিছু রেখে দিবেন ? তারমানে অব্যবহৃত রাখছি ? - ব্যবহার করিনি, মানে ফেলে দিয়েছি ? এক সময় শুনতাম, আমেরিকা নাকি তার উৎপাদিত বাড়তি গম সমুদ্রে ফেলে দিত - বাংলাদেশ কি ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথে সে পর্যায় চলে গেছে ? বলেন কি ? দঃকোরিয়া বাংলাদেশের অর্ধেক জনগণ নিয়েও এই মুহুর্তে কত ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করছে, জানেন ? ১১ টি ক্যবলে দঃকোরিয়া এই মুহুর্তে ২৫ টেরাবিট/সেকেন্ড বা ২৫০০০ জিবিপিএস ব্যবন্ডউইথ ব্যবহার করছে।আর আমরা ১৬ কোটি জনগণের বাংলাদেশ মাত্র ৪৫ জিবিপিএস এর মধ্য ৩০ জিবিপিএস ফেলে দিচ্ছি !!!! চলুন তো এই ফেলে দেয়া পরিমানটার বাজার মূল্যটা একটু দেখি! সাবমেরিন ক্যবলে গত ৩ বছরে (৩০ x ৬০ x ৬০ x ২৪ x ৩৬৫ x ৩) ভাগ ১০০০ = ২৮,৩৮,২৪০ টেরাবিট বা প্রায় ৩০ লক্ষ টেরাবিট কন্টেন্ট অব্যবহৃত ছিল।এখন প্রতি জিবি ১০০/- টাকা করে ধরলেও এই ক্ষতির আর্থিক পরিমান ২৮,৩৮,২৪০ x ১০০ x ১০০০ = ২৮৩,৮২,৪০,০০,০০০ টাকা বা প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা

আচ্ছা বলুনতো, সাবমেরিন ক্যবল সংযোগের আগে অর্থাৎ ২০০৬ সালের আগে, বিটিসিএল এর তত্ত্ববধানে হংকং থেকে রেডিও লিংকে ভিস্যাটের মাধ্যমে যতটুকু ব্যান্ডউইথ লিজ নেয়া হতো আমরা কি তার সবটুকু ব্যবহার করতাম ? অবশ্যই ইউজ করতাম, কারন জনগণের টাকায় কেনা ব্যান্ডউইথ জনগণ ব্যবহার না করার কোন যুক্তি বা সুযোগ নেই, এটা খুব সহজ হিসাব, এটা ভিষন অন্যায়, আর বাংলাদেশের মত দেশের জন্য মহাপাপ।ব্যান্ডউইথ এমন কোন জিনিষ না যে তাকে এখন ব্যবহার না করে ভবিষ্যতের জন্য সরক্ষন করা যায় বা কিছু ব্যান্ডউইথ ভবিষ্যৎ চাহিদা মেটানোর জন্য রেখে দেয়াও নির্বুদ্ধিতা।পৃথিবীর কোন দেশ এই কাজটা করে না।কোন দেশের যদি একটা না, দশটা সাবমেরিন ক্যবলও থাকে তাহলেও তার সবটুকু ব্যান্ডউইথই ইউজারদের জন্য এ্যালোকেট করে। দেশে দেশে ব্যান্ডউইথ নিয়ে যা করা হয়, তা হলো হাজারো রকমের পলিসি করা, মূল্য, প্যাকেজ, ফ্রী, গতি ইত্যাদী ক্যাটাগরি করে কিভাবে আরও বেশি ব্যন্ডউইথ ইউজ করা যায় ও ইফিসিয়েন্ট ইউজ করা যায় সেই লক্ষ্য সামনে রেখে।

আর আমরা বিশ্বে সবশেষ দেশ হিসাবে সাবমেরিন ক্যবলে যুক্ত হয়ে গত ৩ বছর ধরে দুই-তৃতীয়াংশ ব্যান্ডউইথ অব্যবহৃত রেখে জনগণকে তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করলাম।একটু খেয়াল করে দেখেন, আমরা গত ৩ বছরে আপনার যে ডিজিটাল অগ্রগতি হয়েছেন বলে আপনি আস্ফালন করেন, তার পরিমান কিন্তু অব্যবহারের অর্থেক বা ১৪,১৯,১২০ টেরাবিট'ই।এইটুকু কন্টেন্টই বাংলাদেশ গত ৩ বছরে আপলোড ও ডাউনলোড করেছে।আজ নেটে সার্চ দিয়ে যা বাংলার কন্টেন্ট পান তা এরই অংশ -৩ বছর বাংলাদেশ এটুকুই দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।যদি এই ব্যবহারের পরিমান ৪২,৫৭,৪০০ টেরাবিট হতো তাহলে আজ আরও এত পরিমান নেটে আপলোড/ডাউনলোড হতো নাকি ? এতে আপনার উন্নতি কি কম হতো, না বেশি ? আপনি জানেন কি আজ পর্যন্ত ভিয়েতনামের কন্টেন্ট অভিজ্ঞতা কয় শত কোটি টেরাবিট ?

এবার আর একটি মজার কাহিনী দেখুন, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে আজ আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতিরাও মাইকে গলা ফাটায়া বলেন, ১৯৯৪ সালে বিএনপি সাবমেরিন ক্যবলে সংযুক্ত না হয়ে বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ ক্ষতিটি করেছে - এই কথা শুনে গর্ধপ টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী থেকে শরু করে ঢাবির ভিসি পযন্ত হাত তালি দেয়।চলুনতো সে সময়ের ক্ষতির পরিমানটি টাকা ভ্যালুতে দেখি! কি বলেন ? সে সময় সাবমেরিন ক্যবল না থাকলেও আমারা ভিস্যাটের মাধ্যমে আনা নেট ইউজ করেছিলাম।যার পরিমান সর্বোচ্চ কয়েক এমবিপিএস থেকে ২০০৬ সালে এসে সর্বোচ্চ ৫০০ এমবিপিএস ছিল।ততকালীন সিমিউই-৩ ক্যবলে, ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সংযুক্ত হলে ২০০৬ পর্যন্ত আপগ্রেড করে সর্বচ্চ ৫০০ এমবিপিএস থেকে ২ জিবিপিএস পর্যন্ত ব্যান্ডউইথ পেতো। তাহলে ১২ বছরে বিএনপি ক্ষতি করেছে সর্বোচ্চো ৩,৭৮,৪৩২ টেরাবিট কন্টেন্ট। সুতরাং দেখা যায় বর্তমান সরকার ৩ বছরেই সেই সময় বিএনপির করা ক্ষতির ৯ গুন বেশি ক্ষতি করেছে।

এখানেই শেষ নয়, সেদিন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী এক অনুষ্ঠানে জানালেন, গত বছর অক্টবর মাসে আমাদের সাবমেরিন ক্যবল তৃতীয় আপগ্রডেশনের মাধ্যমে মাত্র ৫০ কোটি টাকা খরচ করে ৪৫ জিবিবিএস থেকে ১৬৪ জিবিপিএস সংযোগে উন্নিত হয়েছে।তার মানে গত ৩ মাস যাবৎ ব্যবহার করছি ১৫ জিবিপিএস আর অব্যবহৃত রাখছি ১৫০ জিবিপিএস -হায়হায়হায়।এটাও কিন্তু ঠিক না, আরও আছে, এই যে তৃতীয় আপগ্রেডেশনটি তা সিডিউল মত হওয়ার কথা ছিল ২০০৯ সালে ডিসেম্বর মাসে।এরপর ২০১০ সালে ও ২০১১ সালের আপগ্রেডেশন এই ক্যবলটি আজ তার সর্বশেষ ১.২৮ টেরাবিট ব্যন্ডউইথে উন্নিত হয়ে গেছে।শ্রীলাংকার'ই এই একই ক্যবলে ১ টেরাবিট ব্যন্ডউইথ আছে আজ।এরপর এক সময় ক্যাপাসিটি কমে কমে তাড়টি রিজেক্ট হবে। তাহলে দেখেন ৩ বছরে বিএনপির কয়েকশ গুন বেশি ক্ষতি করেছে ? তাই বলছিলাম ১৯৯৪ সালে সাবমেরিন ক্যবল মাথায় না দিয়ে বিএনপি যা ক্ষতি করেছিল, গত ৩ বছরেই আওয়ামী লীগ তার ৩০০ গুনেরও বেশি ক্ষতি করেছে -হিসাব সহ দেখাইয়া দেওয়া যাবে -শুধু দেশের শিক্ষিত-মূর্খরা বুঝবে না এই যা, কারন এরা সব টিউব লাইট, তাই সরকারের প্রতিটি মাইর এদের বুঝতেই ৫ বছর লেগে যায়।

তারপরও আমরা আশা রাখি একদিন সময় থাকতেই আমরা বুঝব, সেদিন প্রথমেই এদের প্রত্যেকটার দপ্তরের চেয়ারের পেছনের অর্নার বোড থেকে নাম ঠিকানা নিয়ে এদের খুজে বের করবো!!!!! দেশের তথ্যপ্রযুক্তির ভবিষ্যৎ খুবই ভয়ংকর অবস্থার মধ্যে দিয়ে পার করছে।সঠিক সময়ে আপগ্রেডেশন করে সিমিউই-৪ ক্যবলে যত কম মূল্যে আমরা টেরাবিট ব্যান্ডউইথ পাব তা যদি এবার মিস করি তাহলে আর রক্ষা নাই।আবার হাজার কোটি টাকা খরচ করে এই ফ্যামেলির পরবর্তী ক্যবলে সংযোগ নিতে অনেক দেরী তারপর আবার কম ব্যান্ডউইথ দিয়ে শুরু করে গ্রেজুয়ালী আপগ্রেড করতে হবে।যেমন দেখুন ২০০৬ সালে ৮৫০ কোটি টাকায় মাত্র ৭ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ পেয়েছিলাম আবার একই ক্যবলে ২০০৯ সালে আপগ্রেডে মাত্র ৫০ কোটি টাকায় ১১০ জিবিপিএস যোগ হয়ে হয়েছে ১৬৫ জিবিপিএস।১৯৯৪ সালে সংযোগ না নিয়ে আমরা যে ক্ষতি করেছি সেটা তেমন ক্ষতি ছিল না, কারন চাহিদা কম থাকায় ভিস্যাটেই তা সম্ভব ছিল কিন্তু বর্তমান গিগাবিট গতির বিশ্বে এবারের ক্ষতি ২০২৫ সাল পর্যন্ত পঙ্গু করে দেবে আমাদের।এই ক্যবলে অলরেডি দুই বছর ড্রপ মারছেন।এই ক্যবলে যদি ক্যবলের সর্বোচ্চ ব্যন্ডউইথ না ধরতে পারেন তাহলে আপনাদের শেষ রক্ষাও হবেনা।তখন ভারত থেকে টেরেস্টারিয়াল লিংকে প্রতি জিবি ৫০ কোটি হারে নিলেও দেশকে বাঁচাতে পারবেন না।একটা কথা বলি, আপনাদের মাথায় না ঢুকলেও ধরে নেন অক্সিজেন ছাড়া মানুষ বাঁচলেও ভবিষ্যতে সভ্যতা অর্থনীতি ব্যান্ডউইথ ছাড়া বাঁচবে না।

একবার ভেবে দেখেছেন, এখনই আমরা বলছি দেশে দুই কোটি নেট ইউজার আছে ১৫-২০% আরও আওয়াজ দিচ্ছি ২০১৫ সালের মধ্যে লক্ষ্য ৪৫% পেনিট্রেশনের, কিছু বোঝেন ? এই হিসাবে মুহুর্তেই বর্তমান নেটওয়ার্কেই বাংলাদেশের অন্তত ৪০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করার কথা ছিল।আর ৩জি করার পর এই দুই কোটি ইউজারকে ডেডিকেটেড ৫ এমবিপিএস দিতেও যদি ১ লক্ষ জিবিপিএস লাগে তাহলে সর্বচ্চ কোন ফর্মুলায় শেয়ার করে আপনি ১০০০ জিবিপিএস বা ১ টেরাবিটের নিচে ব্যান্ডউইথ দিয়ে ৫ এমবিপিএস গতির লোয়েস্ট থ্রীজি দিতে পারবেন ? হিসাব করে নীতিনির্ধারকদের দেখাতে বলেন ? অথচ এই মুহুর্তে আপনার আছে মাত্র ১৬৫ জিবিপিএস।আবার ব্যবহার করছেন ১৫ জিবিপিএস, আহাম্মক কোনহানকার।

অথচ গত তিন বছর ধরে বাংলাদেশের ইন্টারনেটের গতি নিয়া কি করা হচ্ছে তা এই পোষ্টে দেখুন। বাংলাদেশে ইন্টারনেট আছে নাকি, কি বলেন ? গতি কই ?

এইদিকে কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজিব ওয়াজেদ জয়ের টাইট-ইন্টারনেট + পাগলা দোয়েল = শেখ হাসিনার টাল-বাংলাদেশ।

আর বিএনপির কথা বলবেন খালেদা জিয়া চিটাগাংয়ের ভাষনে জাতিকে সব দিয়া কুইট্টালাইলেও, ইন্টারনেট, থ্রীজি বন্ধের পূর্বাভাস দিলেন।

৩ বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী আজ জাতীর উদ্দেশ্যে ভাষন দিয়েছেন - ডিজিটাল বাংলাদেশ অংশ।

ডিজিটাল বাংলাদেশ ৩ বছর খতিয়ান - খুবই গুরুত্বপূর্ন।

ড্রাফ্ট চলছে।এতো গেল মাত্র ১০% কামের খতিয়ান, ডিজিটাল বাংলাদেশের আরও অন্তত ৫০টা ইস্যূ আছে, আসছে, সাথে থাকেন, শেয়ার করেন, স্টিকি করার দাবী তুইলা লাভ নাই সামু কেন কোন মিডিয়াই সরকারের এই তথ্যটি প্রকাশ করার সাহস পাবে না।তাই পোষ্টটি নেটে হাজার হাজার শেয়ার দেন।আমি কথা দিচ্ছি দেশের তথ্যপ্রযুক্তি নিয়া প্রতিটি ষড়যন্ত্রের আপডেট দিব এই পোষ্টে।

ভাবছেন যেই বিষয়টি নিয়ে কারও মিনিমাম সচেতনতা নেই আমি কেন এত সিরিয়াস ? কারন আমি বিশ্বাস করি- তথ্যপ্রযুক্তি ছাড়া বাংলাদেশের আর কোন সমাধান নাই, আবার এই বিষয়েই দেশটি বিশ্বে সবচেয়ে পশ্চাদপদ, ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে তথ্যপ্রযুক্তি ছাড়া একটা দেশ হয়ে পরবে সবচেয়ে অযোগ্য।আমি আরও বিশ্বাস করি, শুধু সঠিক নীতির মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ করা বিশ্বের অন্য যেকোন দেশের চেয়ে সহজ - বলতে পারেন এটা জাতির সৌভাগ্য, সৃষ্টিকর্তার আশির্বাদ।

পোষ্টটি যত পারেন শেয়ার করবেন, কারন সামু কেন কোন মিডিয়ার সাহস নেই এটি স্টিকি করে।অথচ দেশের এই অসহায় করুন চিত্র অন্তত দশ লাখ লোকের পড়া উচিত।

Monday, August 8, 2011

Bangladesh NEXT. Next IT Destination.

Bangladesh NEXT. Next IT Destination:
The demographic advantage, the stability and the social developments have set the platform for Bangladesh to emerge as the one of the next large players of global service outsourcing market. As outsourcing costs in traditional countries like China, India and Philippines are rising dramatically and global clients are increasingly looking for diversification of sourcing portfolio, Bangladesh is surely the Next best alternative.
Bangladesh possesses one of the most attractive population demography in the world. This is a country powered by youth. In terms of number of youth population, Bangladesh is among top ten countries of the world and top five within Asia. This unique age demography makes Bangladesh as one of the best attractive country for service outsourcing (ITES/BPO, Software, Call centre etc.).

A significant portion of the youth population is proficient in English. Within the non-speaking developing countries, Bangladesh education system has the 3rd largest number of enrollment in English courses at secondary and higher secondary level. Because of this second-language advantage, the country is surely one of the natural choices for service outsourcing for English speaking North American countries.

Adoption to new digital lifestyle among young generation is very high. The urban youth are quite tech savvy and always keep pace with different modern tech-driven lifestyle updates (e.g. in terms of Facebook users, Bangladesh ranks within top twenty in the world. The country already has over 2 million facebook users).

Over 10 million (around 7 percent of total population) citizens of the country work outside the country (4th highest in the world), in different parts of the world. This has contributed significantly in cross-cultural adaptability skill of the professionals. A significant number of the overseas people are technology professionals. They are working successfully in different leading technology companies at different parts of the world. This technology skilled diaspora can also be instrumental in outsourcing boom (as it has been the case in India).

Within the country, the rapid technological development in recent years has set the tone for significant growth in technology driven service industry. Mobile growth in the country is one of the highest in the developing world. Major technology infrastructure like country-wide fiber connectivity, Wi-Max broadband, 3G are being implemented at quick pace.

During last few decades, the country has achieved significant social sector development, particularly in education and health. As recognition of this, Bangladesh has recently won UN Millennium Development Goal (MDG) Award.

During last decade, Bangladesh economy has emerged as one of the most stable developing economies of Asia. Helped by very strong growth in both export and foreign remittance, the local currency (Taka) is one of the most stable currencies.

Powered by people Over 25,000 IT engineers are working in over 600 software and IT service companies: around 150 of these companies are specialized in serving overseas clients.

Specialized IT Education in Bangladesh is well established at the graduation and post graduation levels. Over 90 universities and 700 colleges across the country offer IT education programs. Every year, over 6,000 IT graduates come out of these universities and colleges.

A large part of these IT graduates also possess global IT vendor certifications (e.g., from Microsoft, Cisco, Oracle, Sun) on top of their academic degrees.

Excellence of IT workforce from Bangladesh is a well-accepted fact at home and abroad. Over 10,000 IT professionals from Bangladesh are working successfully in various IT companies in USA including Microsoft, Intel, IBM, Sun, Oracle, Texas Instruments, Cisco, Nortel, and Lucent – to name a few.

Bangladesh Government and the IT industry have taken up aggressive plans to scale up the number of IT workforce to meet the increasing demand. The plans include national skills assessment and enhancement programs for IT professionals, increasing the number of yearly IT graduates to 10,000 and development of outsourcing focused specific skill sets.

Government Support to IT outsourcing: Software and IT Services have been declared by the Government as a ‘High Priority’ export sector.

All Software and IT Services companies including those having foreign ownerships have been exempted from Income Tax until 2011.

Special government sponsored long-term equity fund and short term working capital financing are offered to IT companies.

Since 1996, Government has been allowing zero/low tariff for computers and other capital goods required for software industry.

Special Hi-Tech and Software Technology Parks are being built by the government to facilitate all the infrastructural supports needed by outsourcing companies.

ICT Policy 2009 has been approved by the Govt. of Bangladesh in June 2009

A Roadmap to transform Bangldesh into ‘Digital Bangldesh’ has also been formed
know more at:Bangladesh Association of Software and Information Services (BASIS)

BSRS Bhaban (5th Floor - West)12 Kawran Bazar
Dhaka -1215,Bangladesh
Phone: +880 2 8151196; 8144708-09
Fax: +880 2 8151197
Email: secretariat@basis.org.bd
Web: http://www.basis.org.bd
http://www.bangladeshnext.com/index.html
http://www.basis.org.bd/catalog/

Friday, August 5, 2011

Bangladesh Central bank takes step to rev up ICT business

Central bank takes step to rev up ICT business
By: Financial Express


The central bank has allowed online transactions for the country's information and communication technology (ICT) firms aiming to expedite ICT related businesses, officials said on September 02, 2010.Under the new provisions, banks are allowed to remit up to US$ 10,000 on behalf of ICT or software firms in a calendar year for the purposes of international alliances like software registration fee, domain registration and hosting fees and server maintenance fee without prior approval of the Bangladesh Bank (BB). 

ICT businessmen welcomed the BB's latest move, saying that it would facilitate their businesses through allowing internet transactions."Bangladesh opens a new chapter of e-business allowing internet transactions," Chairman of the committee on international marketing of the Bangladesh Association of Software and Information Services (BASIS) Shameem Ahsan told the FE.
He also said it would help to create new employment opportunity through boosting ICT related businesses including software exporting across the world. 

Within the limit of $10,000 in foreign exchange authorised dealer banks, officially known as ADs, may issue international card (IC) favoring a nominated official of ICT or software firm for US$1000 with the recommendation of the Bangladesh Association of Software and Information Services (BASIS), the central bank said in a circular, issued Thursday. 

"As a part of ongoing liberalisation of BB, We've incorporated internet/ online transactions particularly for ICT firms into our regulations. We hope that it would be a milestone for digital transaction of the country's banking industry," a BB senior official told the FE.The IC may be refilled for another $1000 subject to production of documents showing the fact that the previous transactions were carried out for the purposes."The ADs shall ensure that the aggregate amount of refills of IC and outward payment through other means do not exceed $10,000 in a calendar year," the circular added.In the context of web based trade, the foreign buyer settles the payment through international credit cards (ICC) using internet/web. 

To accommodate such internet/web generated payment to beneficiary account, it has been decided to allow ADs to work as 'Acquiring Banks' for realisation of internet/web generated payment favouring BASIS member ICT/software firms registered and operating in Bangladesh.
"…ADs shall have to comply with the applicable regulation of foreign exchange transactions, AML/CFT, payment and settlement systems and other relevant laws/regulations in force and report the transactions with monthly returns to Bangladesh Bank in the relevant schedules/statements," it noted.

Bangladesh among best spots for IT outsourcing

Bangladesh among best spots for IT outsourcing
By: The Daily Star  December 27, 2010 

Bangladesh has carved its place among the world's best destinations for IT outsourcing, largely thanks to its low cost, according to a study by a leading research and consulting firm.
Bangladesh usually offers an attractive cost proposition for the investors, as its low salary level and low-cost of living are ideal for jobs that are commoditised and have low risk, said the study conducted by Gartner (It delivers technology research to global technology business leaders) in its annual listing of top countries for IT outsourcing globally.
“Bangladesh is an emerging country from an offshore location perspective, but ranks poorly in language, infrastructure and data and intellectual property security,” the research said.
“Although it offers a good cost proposition, the government has to address many issues such as education, infrastructure and data security or IP protection in order to propel the top ranks,” said Gartner, which has put Bangladesh on its list of top 30 destinations for global IT outsourcing for 2010-11.
This is the first time that Bangladesh has been listed in the top ranking by any global research company on IT outsourcing and has been placed on par with China, India, Indonesia, Malaysia, the Philippines, Sri Lanka, Thailand and Vietnam in Asia.
“The achievement is significant given the growing potential of Bangladesh as an attractive IT outsourcing destination,” said Mahboob Zaman, president of the Bangladesh Association for Software and Information Services (BASIS), at a press conference in the capital yesterday.
“However, it would require proper government policy support in addressing the shortcomings identified in the study to keep up the same rating,” he added.
Bangladesh has debuted in the list along with eight other countries that have made it for the first time to the Top 30 of the Gartner ranking.
“The country offers an attractive cost proposition, given its low salary levels and low cost of living,” said the study, which took into account ten separate criteria for rating the individual destinations.
The criteria include language, government support, labour pool, infrastructure, educational system, cost, political and economical environment, cultural compatibility, global and legal maturity as well as data and Intellectual Property Security and Privacy.
Bangladesh has been ranked 'very good' in the criteria of cost, according to the Gartner findings while rating 'fair' in all criteria apart from the areas of language, infrastructure and data and IP security and privacy.
Noting that Bangladesh's cost of living is one of the lowest in the world, the report found that the median salary per annum of a software engineer or developer in Bangladesh is about $5,070, while the median salary of a senior software engineer is $7,300 and that of an IT manager is $9,734.
“In recent years, the government has taken several bold steps in boosting the country's IT industry, which has been partly reflected in this rating,” said State Minister for Science and ICT Yeafish Osman.“Most recently, the office of electronic signature certifying authority has been set up for authorising a digital signature system, while a cyber security policy is going to be formulated and cyber tribunals are going to be formed to address the cyber crime issue,” he added. 
The Gartner report finds the country's PC penetration and teledensity 'low' and the overall English language competency 'poor' while stating that the essential infrastructure elements such as electricity, airways and rail networks are not up to the global standard.

Twitter Facebook Favorites More